বাবা- মোঃ ইবাদুল হাসান (ইবু)

বাবার কথা হলে স্মরণ,
হৃদয়ে হয় রক্ত ক্ষরণ।
কালো ফ্রেমের চশমাটা সেই,
এখনো যে আছে এই।
শূন্য টেবিল চেয়ার খানি,
দেয় যে শুধু হাতছানি।
বাবার লেখা গল্প পড়ে,
ঝড় উঠত হৃদয় জুড়ে।
সুখ দুঃখ মিলন বিরহ,
লিখত বাবা অহরহ।
লিখায় ছিল জীবন ব্যথা,
সুখের সাথে হয়নি কথা।
বিকাল বেলা মাঝে মাঝে,
ঘুরতে যেতাম নদীর কাছে।
ভাসিয়ে দিয়ে খেয়া তরী,
পারের আশায় দিতাম পারি।
ঢেউয়ের তালে নদীর বুকে,
চলত তরী একে বেকে।
বাবা থাকত পাশে পাশে,
বলত আমায় হেসে হেসে।
সূর্যটাকে দেখতো খোকা,
ডুবছে কেমন একা একা।
দিগন্তের এই রঙ্গিন আলো,
আনছে ডেকে রাতের কালো।
এমনি মোদের জীবন ধারা,
হারিয়ে যাব আবার মোরা।
প্রকৃতির এই নিয়ম খেলায়,
যেতে হবে শেষ ঠিকানায়।
অচিনপুরের সেই দেশে,
থাকবো আমি অন্য বেশে।
ভাবিসনা তুই একা আছিস্,
বাবার কথা মনে রাখিস।
আসবো আমি ছায়া হয়ে,
যাবো তোকে পরশ দিয়ে।
ছায়ার মাঝে বাবার খোজেঁ,
কাটছে আমার জীবনটা যে।
ভাসিয়ে নিয়ে জীবন তরী,
একাই আমি ঘুরি ফিরি।
হয়না আমার পথের শেষ,
কষ্ট নিয়ে আছি বেশ।
শুকিয়ে গেছে চোখের পানি,
ঝাপসা চোখে তাকাই আমি।
সুখ পাখিটা গেল উড়ে,
পাইনা নাগাল আমি তারে।