কস্ট অব রং রিক্রুটমেন্ট। 

ভুল মানুষ নিয়োগ দিয়ে চরম ভোগান্তির স্বীকার হয়েছেন কম বেশি সকল ধরণের উদ্যোক্তা গণ। এর পাশাপাশি ভুল জায়গায় চাকুরীতে ঢুকে বিরিক্তিকর একটি অবস্থায় আছেন এমন লোকের সংখ্যা অনেক বেশি।

আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের জন্য এটা অনেক বড় একটা অন্তরায়। কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে, তাদের পারফরমেন্স নিয়ে, প্রায়শই আমাদের হতাশ হতে হয়। এটাকে কি কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবোনা ! নাকি এটাই অবধারিত। এই পুরো বিষয় টাকে একটু বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করবো।

আমরা এই বিষয় সংক্রান্ত বিরক্তি গুলো অনেকটা নিম্নরূপে প্রকাশ করি।

🔹 হাবিব সাহেব কে রিক্রুট করাটা একটা ভুল ডিসিশন ছিল।

🔹 অমুক তো আমার কোম্পানীর বারোটা বাজায় দিল ভাই।

🔹 নাহ, অমুক ভদ্র লোক কে দিয়ে আসলে কিছুই হচ্ছেনা।

🔹 আর একটা ভালো লোক দেন তো, টাকা পয়সা বেশি হলে ও অসুবিধা নাই।

🔹 উনি পারবেনা, উনি এতো বড় জায়গায় তো কোনদিন কাজ করেনি।

🔹 পাশের দেশের এক ভদ্রলোকের ইন্টারভিউ নিয়েছি, ভাবছি ওনাকেই নিয়ে নেব, বাজেট যদিও একটু বেশি।

🔹 আমি বুঝিনা এই ব্যবসা করবো কেমন করে, ভালো ম্যানেজেমেন্ট টিম তো তৈরী হচ্ছেনা।

উপরের অংশ আরো অনেক বড় হতেই থাকবে যদি সব গুলো হতাশা লিপিবদ্ধ করা যায়।

আমি সব সময় যে কোন প্রশ্নের নতুন নতুন উত্তর খুঁজতে থাকি, আমার মনে হয় পুরাতন উত্তর গুলো দিয়ে যেহেতু কোন সমাধান আনতে পারিনি তাই অবশ্যই সমস্যার সমাধান নতুন আঙ্গিকে চিন্তা করাটা বাঞ্ছনীয়।

উপরের হতাশা গুলোর মূল ফলাফল গুলো কেমন !

🔹 হাভার্ড বিজনেস রিভিউ এর তথ্য অনুযায়ী, যে কোন একটা ভুল রিক্রুটমেন্ট, ৮০% কর্মচারীর হতাশা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এবং এটা জুনিয়র সিনিয়র যে কোন লেভেলে হতে পারে।

🔹 আমেরিক্যান শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, ভুল রিক্রুটমেন্ট এর কারণে আপনার ওই নিয়োগকৃত কর্মচারীর মাধ্যমে বার্ষিক যা আয় হওয়ার কথা ছিল তা না হয়ে বরং ৩০% পর্যন্ত লোকসান হয়ে যায়। ধরে নেই যে ২৪০০,০০০ টাকা বার্ষিক আয় হওয়ার কথা ছিল , কিন্তু তা না হয়ে উল্টো ৭২০,০০০ টাকা লোকসান গুনতে হয়।

🔹 আর একটা পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে যে , ৩৪% সিএফও গণ একমত হয়েছেন যে. ভুল রিক্রুটমেন্ট শুধু মাত্র আপনার প্রোডাক্টিভিটি লোকসান করেই ক্ষ্যান্ত হয়না। আপনার ভালো একজন ম্যানেজারের ১৭% মূল্যবান সময় ও নষ্ট করে ফেলে, যা তিনি ওই খারাপ মানুষ গুলোকে সঠিক ভাবে পরিচালনার পিছনে অযথা ব্যায় করেছেন।

🔹 বিশ্বের নামকরা রিক্রুটিং এজেন্সী গুলোর তথ্য অনুযায়ী, একজন নতুন এমপ্লয়ী রিক্রুটমেন্ট করতে তার বার্ষিক বেতনের ১৫% থেকে ২০% পর্যন্ত খরচ হয়। একটু টেকনিক্যাল পদবীর জন্য কিংবা লোকজন খুঁজে না পাওয়া গেলে ৩০% পর্যন্ত খরচ হয়ে যেতে পারে।

🔹 ক্যারিয়ার কনসালটেন্সি ফার্মের তথ্য অনুযায়ী একটা ভুল রিক্রুটমেন্ট এর জন্য গড়ে $১৭০০০ ডলার পর্যন্ত লোকসান গুনতে হতে পারে আপনার প্রতিষ্ঠান কে । স্থান, কাল, পাত্র, বিজনেসের সাইজ, কোম্পানীর ধরণ, দেশ ইত্যাদি বিবেচনা করে দেখা গেছে যে ।  নিম্ন লিখিত হারে লোকসান গুনতে হয়।

👉৫০০ এর নিচে কর্মচারী, হলে $১১০০০ ডলার।

👉১০০০ এর নিচে কর্মচারী হলে $২২০০০ ডলার।

👉১০০০ এর অধিক কর্মচারী হলে $২৪০০০ ডলার।

মূলত এই সংখ্যা দিয়ে আর্থিক প্রতিক্রিয়া টুকু বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এবং এটা কিন্তু সমস্যার শুরু মাত্র। এর পাশাপাশি আরো অনেক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে থাকে।

উপরের সংখ্যা গুলো থেকে আমরা একটা ধারণা নিয়ে যদি সঠিক ভাবে গণনা করি তাহলে বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্য খুঁজে পাব। কয়েকটা বিষয় বিবেচনা করলে আমরা আরো পরিষ্কার ভাবে বিষয় টা ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারবো।

নিম্নে বর্ণিত বিষয় গুলো বিবেচনায় নিয়ে ক্যালকুলেশন টা করে রাখুন।

১। আসল লোকসানটা কত, তা লিখুন।

২। আপনার ব্যবসায়িক সুনাম কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা যদি নিরুপন করতে পারেন, তা লিখুন।

৩। আপনার প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি কিভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

৪। আপনার কর্মচারীদের মনোবল কতটুকু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তার পরিমাপ যদি করতে পারেন।

————————————–

ভুল রিক্রুটমেন্ট এর রেশ কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে, তা নিয়ে আমাদের কিন্তু অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কেন খুব বেশি সজাগ হয়ে উঠতে হবে সকল প্রকার রিক্রুটমেন্ট জাতীয় কার্যক্রমে তা নিয়ে এবারের আলোচনা।

🔹মামলা মোকাদ্দমা পর্যন্ত গড়ায়। বেশ কিছু ভুল সিদ্ধান্ত কিন্তু মামলা মোকাদ্দমা পর্যন্ত গড়াতে পারে। ঝামেলাপূর্ণ কর্মচারী নিয়োগ করার পরে অনেকেই থানা পুলিশ নিয়ে দৌড়াদৌড়িতে লিপ্ত হতে হয়েছে।

এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত থাকার টেকনিক হল, নিয়োগের সময় তার সিভিতে উল্লেখিত রেফারেন্সের মানুষটার সাথে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করে নেয়া। তার পূর্বের কোম্পানীতে দরকার হলে খোঁজ খবর নিয়ে নেয়া। তার শিক্ষা, বেড়ে ওঠা, মানসিকতা, রাজনৈতিক মতামত, এথিক্যাল আচরণ, ভদ্রতা , বিচক্ষণতা ইত্যাদী সকল কিছু যাচাই বাছাই ছাড়া তাড়াহুড়া করে নিয়োগ করবেন না। মাশুল দিতে হবে।

🔹 কর্মচারী গণের মাঝে হতাশার বিস্তার। এই সমস্যাটা একটা ওপেন সিক্রেট এর মত। আমরা সকলেই কিন্তু জানি বুঝি কিন্তু দিন শেষে বিজ্ঞের মত ইগনোর করি। প্রতিদিন লোকসান গুনছি কিন্তু কোন পদক্ষেপ নিচ্ছিনা।

আমরা তো জানিই যে একফোঁটা লেবুর রস পুরো দুধ কে নষ্ট করে দিতে পারে। আপনার টিমে কিন্তু হাইলি মোটিভেটেড লোক জন ও আছে, কিন্তু তার সামনেই যদি অযোগ্য একজনকে আপনি এনে বেশি সুযোগ সুবিধা

🔹প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত ব্যায়। যে কোন নিয়োগের পরেই কিন্তু আমরা নানা ভাবে ওই এমপ্লয়ীকে বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষণ দিতে থাকি। অনেকটাই আনঅফিসিয়াল ভাবেই প্রতিদিন তাকে সকলে মিলিয়ে সব কিছু শেখাতে থাকি কোম্পানীর স্বার্থে, টিমের স্বার্থে, নিজেদের স্বার্থেই। আর ভালো ভালো কোম্পানীতে তো অফিসিয়ালি নতুন লোকজনের জন্য পুরোদস্তুর ট্রেনিং এর পাকা বন্দোবস্ত আছে। তাহলে মাস খানেক পরে যদি বোঝা যায়, নাহঃ ব্যাসিক্যালি এই লোক একটা মাকালফল তাহলে সময়, প্রচেষ্টা, টাকা, জায়গা, রেপুটেশন সব কিছু কিন্তু জলাঞ্জলি দিতে হয়।

🔹 উপরে সব ঠিকঠাক কিন্তু ভিতরে চাপাক্ষোভ বিরাজমান। এই অবস্থা কিন্তু আমরা সকলে দেখে অভ্যস্ত। প্রতিদিন প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। এইটা মূলত আপনার লিডারশীপ এবং টিমের গঠনের মাঝে অনেক বড় একটা ডিসকানেকশন। এই গ্যাপটা যত দ্রুত কমিয়ে আনার কাজে নিজেকে নিয়োগ করতে পারবেন, প্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়ন তত বেশি গতিশীল হবে।

🔹উন্নয়ন ও গতিশীলতা ব্যাহত করে। উন্নয়ন কিন্তু নানা প্রকার, তার মধ্যে একটা হল প্রতিবন্ধী-উন্নয়ন। ক্ষুদ্র কিছু উপেক্ষা, অসচেতনতা মূলত আমাদের উন্নয়ন কে বিকলাঙ্গ করে গড়ে তোলে। এবং একটা মাত্র ভুল রিক্রুটমেন্ট পুরো উন্নয়ন কে অনেক সময় অনিবার্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত করে তোলে। বিকলাঙ্গ সন্তান যেমন একটা পরিবারের সকল সুখ বিনষ্ট করে তোলে, তেমনি আপনার উন্নয়ন ও বিকলাঙ্গ ভাবে গতিশীলতা ব্যাহত করছে কি নাা ব্যাহত করে।

🔹প্রতিষ্ঠানের গোপনীয়তা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। আমাদের সফলতার অনেক গুলো টেকনিক্যাল নো-হাউ এমপ্লয়ীদের জানা থাকে। ভুল রিক্রুটমেন্ট এর মাধ্যমে যে ভদ্র লোক কে টীমে অবস্থান সৃষ্টি করে দিলেন, কয়েকদিন পর ওই লোক আপনার ডেটা বিক্রি করে খাওয়া দাওয়া শুরু করে দিল। এই দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল কিন্তু ভালো। এই কারণে টেকনিক্যাল টীমে লোক জন নিয়োগের আগে তিনবার যাচাই বাছাই করা আবশ্যক। আপনি সকলকেই যে জহুরির মত যাচাই করে নিতে পারবেন, তা কিন্তু না, যতটুকু পারা যায় চেষ্টা করুন। কালচার টা গড়ে তুলুন।

—————————————-

আমরা কি কারণে এই পর্যুদস্ত অবস্থায় দিনাতিপাত করছি তার মোটামুটি একটা বিশ্লেষণ।

১। আমাদের মোটামুটি সকল ধরণের নিয়োগ তাড়াহুড়ায় সম্পন্ন করতে হয়। আমরা এখনো মাল্টিন্যাশনাল গুলোর মত নিয়োগ ব্যবস্থাপনা শিখিনা। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির চার দশক পার হয়ে গেল আমরা আর কবে শেখা শুরু করবো। আপনার মানসিকতার পরিবর্তন হলেই সমস্যার পরিবর্তন শুরু হবে। তাড়াহুড়া করে নিয়োগ দেই কারণ আমরা দোষ দিয়ে থাকি হুট্ করে হাবিব সাহেব চলে গেলো, আমাদের বিপদে ফেলে দিয়ে। এখানে সমস্যা হল আপনার প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠ ভাবে চাকুরী ছেড়ে দেয়ার কোন কালচার প্রতিষ্ঠিত করতে আপনি ব্যার্থ। যে কোন সমস্যার সমাধান হতে পারে প্রথমত যদি সৎ ও নিরপেক্ষ ভাবে নিজের দোষ ত্রুটি গুলো স্বীকার করে নিয়ে কাজ শুরু করি।

২। সকল কিছুতেই এমডি স্যারের উপর নির্ভরশীল থাকি। এমডি সাহেব তো ঘর পোঁড়া গরু, উনি অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বীকার, তাই আস্থা স্থাপন করতে পারেন না। আমরা সুচারু রূপে নিয়োগ ব্যবস্থাপনা টা শেখার চেষ্টা করছিনা। ভুল ভ্রান্তি গুলো থেকে শিক্ষা নিচ্ছিনা। এমডি সাহেব দের আরো অনেক বেশি প্রফেশনাল লার্নিংয়ে অভ্যস্ত হতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, গত তিরিশ বছর আপনার কারণেই অনেকগুলো ভুল নিয়োগ হয়েছিল। ভুল নিয়োগের মাশুল কিন্তু শুধু আপনার পকেটের ক্ষতি করেনা, সুদূরপ্রসারী অনেকগুলো সিস্টেম ধ্বংস করে দেয়।

৩। আত্মীয় স্বজন নিয়োগে আমরা সিদ্ধহস্ত। এই চর্চা যতদিন বন্ধ না করবো ততদিন অনেকগুলো সমস্যার সমাধান হবেনা। যোগ্যতা অনুযায়ী অন্তত যদি আত্মীয় স্বজন নিয়োগ দেয়ার মত সাহসী হতাম তাহলে ও অনেক সমস্যার উদ্ভব হতনা।

৪। আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানে নানা প্রকার অনুরোধ আসতে থাকে , টেলিফোন আসতে থাকে তাদের লোকজনকে একটু ভালো জায়গায় বসিয়ে দেয়ার জন্য, এবং এমন কিছু বস্তাপঁচা মানুষজনকে বাধ্য হয়ে নিয়োগ দিয়ে আমরা মূলত প্রতিষ্ঠানের কালচার টা কে ধ্বংস করে দেই। একটু সতর্ক হয়ে যদি ব্যাপারগুলো ম্যানেজ করতে পারতাম অনেকগুলো জায়গা ভালো থাকতো। ইয়াংওয়ানে এই সমস্যা মারাত্মক। বিভিন্ন মন্ত্রী, আমলা, নেতার সরাসরি ফোনে কিছু হাইব্রীড এমপ্লয়ী কে অযথা নিয়োগের ঘটনা সব সময় দেখতাম। তাদের নিয়ে যেমন সকলেই হাসি তামাশা করতো তেমনি আফসোস ও করতেই থাকতো। ইয়াংওয়ানের চেয়ারম্যান বলতেন আমার ৭ টা দেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত, কিন্তু শুধু বাংলাদেশে এই সমস্যা অত্যান্ত ন্যাক্কারজনক ভাবে সামাল দিতে হয় এবং প্রায়শই অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে হয়।

—————————————————–

ভুল ক্যান্ডিডেট রিক্রুটমেন্ট থেকে পরিত্রান হয়ত পুরোপুরি পাওয়া যাবেনা। কিন্তু কিছু চর্চা যদি করতে পারি এবং চালু রাখতে পারি তাহলে কিছুদিন পরে হয়তো একটা ভালো ফলাফল আসবে।

🔹 প্রথমত আপনি কি ধরণের লোক খুঁজছেন তা আপনাকে বুঝতে শিখতে হবে। উক্ত কাজের জন্য যে স্কিল সেট থাকা জরুরী তা আপনাকে জানতে হবে। আপনার নিয়োগ ব্যবস্থাপনা টিম আপনার চাহিদা ঠিক মত বুঝে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে কিনা একটু যাচাই করে নিতে হবে।

🔹 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে খুব পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ্য থাকতে হবে, আবেদন করার জন্য কি কি বিষয় অপরিহার্য। একটা মাল্টি ন্যাশনাল জব সার্কুলার খেয়াল করে দেখুন এত লম্বা আর এত কিছু লিখেছে। পক্ষান্তরে আমাদের দেশীয় একটা নামকরা কোম্পানীর জব সার্কুলার দেখুন। কি পরিমান দায়সারা গোছের।

🔹 একটা জব স্কোর কার্ড তৈরী করুন। দরকার হলে নিয়োগের আগে প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে এই স্কোর কার্ড আপনি নিজেই লিখা শুরু করুন। ধরুন কখন আপনি একজন সিইও নিয়োগ করবেন। আপনি এখন তিনটি প্রতিষ্ঠান ম্যানেজ করছেন, কিন্তু আপনার থেকে এক তৃতীয়াংশ কম বেতনে একজন যোগ্য সিইও হয়ত আপনার চেয়ে বেশি সফলতা আনতে পারবেন। তিনি হয়ত আপনার চেয়ে তিন গুন্ বেশি রেভিনিউ এনে দিতে ও পারবেন। আপনাকে সঠিক মানুষ টা চিনতে হবে।

🔹 লিংকডইন প্রোফাইল চেক করুন , তার কমেন্ট গুলো পড়ুন , তার লাইকগুলো দেখুন , তার পোস্ট গুলো ঘেটে দেখুন, অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি গুলো খেয়াল করুন। তার পার্সোনালিটি গভীর ভাবে অবলোকন করে তাকে সিলেক্ট করুন।

🔹 আপনার নিয়োগ প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনা মূল্যায়ন করে দেখুন।

Habibur Rahman Habibur Rahman